রাত 9 টার সময় বাজার করতে গিয়েছেন কখনও?!! এমন একখানা বাজার পেলে যেতে হতেও পারে বৈকি! Infact, আমাদের মতো ছেলেরা, যারা কস্মিনকালেও বাজারমুখো হই না, তারাও পাড়ি জমাই এমন জায়গায়! নেহাতই photography র শখে! পাটুলীর ভাসমান বাজার। কলকাতা পৌরসভার এক অভিনব উদ্যোগ। বাইপাসের ধারে ঝিল টাকে সাজিয়ে গুছিয়ে নৌকা বিহারে পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। সন্ধ্যে…
Category: Uncategorized
তরঙ্গমালা
এই গল্প টা মন্দারমণি নিয়ে নয়! বরঞ্চ তার একটা রিসোর্ট নিয়ে! বছর ছয়েক আগে নেট থেকেই খুঁজে পেয়েছিলাম ‘তরঙ্গমালা’ কে, আর এখন আর কোনো alternative খুঁজে পাই না! একটু offbeat জায়গা, নিরিবিলি রিসোর্ট, জন কোলাহল বাদ দিয়ে শান্ত ঝাউবনের মাঝখান থেকে সমুদ্রের দিকের রাস্তা। সব মিলিয়ে একান্তই নিজস্ব! ৫ ষ্টার এর নিরিখে মাপা যাবে না…
বৃষ্টি বাদলের দিনে…
দৈনন্দিন শহুরে জীবন টা কে ব্যতিরেকে মাঝে মাঝে যাওয়া যেতেই পারে একটু দূরে! শহুরে অলিগলি গুলো কে পেরিয়ে একটু দূরে গেলেই পাওয়া যায় শান্ত সবুজ আর খোলা আকাশের হাতছানি। তাই প্রায় সপ্তাহেই উদ্দেশ্যহীন ভাবে বেরিয়ে পড়ি এদিক ওদিক। রাস্তা যেভাবে গেছে, সেভাবেই। তারই মধ্যে একদিন গিয়েছিলাম তারকেশ্বর এর দিকে। না, ঠিক পুজোর উদ্দেশ্যে যাইনি, গেছিলাম…
পাথরের আনাচে কানাচে
যদি কখনো ভেবে থাকেন, পাহাড়ের কোলে ঝর্ণার পাশে পাথরের উপরে বসে, আপনার দুপুরখানা দিব্বি আরামে কাটাতে! খুব একটা বেশি খরচ না করলেও চলবে! পুরুলিয়ার ঠুরগা ফলস। আসল উচ্চারণ টা ওখানকার লোকেই জানেন। গাড়িটা এসে যখন রাস্তার পাশে দাঁড়াবে, অসাধারণ কিছুই চোখে পড়ার কথা নয়! যারা নতুন যাবেন, তাদের তো নয়ই! তারপর যখন ধীরে ধীরে খাদের…
পাখিতে মানুষে!
রাস্তায় যেতে যেতে আচমকা দাঁড়িয়েছিলাম, ধানের খেতে কয়েকটা আইবিশ আর বক এর ছবি তুলবো বলে! তো আমি বাইকের উপর বসে আছি, আর বন্ধুটি ছবি তুলছে! এক ভদ্রলোক হাঁটতে হাঁটতে এলেন, নেহাতই মাঠে নামবেন বলে কাঁধে কোদাল নিয়েই এসেছেন। প্রশ্ন ছুড়লেন, “ও কি করছে?” (আমার বন্ধুটি) বললাম ছবি তুলছে। বললেন “কিসের ছবি?” বললাম পাখির ছবি! ব্যাস!!!…
ভবঘুরে মন!
যাদের weekend এলেই মনটা আনচান করে ওঠে, অথচ stay করার কোনো অপশন নেই, তাদের জন্য কয়েকটা ভালো idea! বাইকটা নিয়ে নিজে অথবা বন্ধুদের সাথে বেরিয়ে পড়ুন। শহর আর শহরতলিটা কোনো মতে পেরোলেই একটা অন্যরকম relaxing weekend! কখনো দুধারে ধানক্ষেত কিংবা ইউক্যালিপটাস এর জঙ্গল, কখনো ঝাউবন দুধারে, আর মাঝখানে হাইওয়ে! কখনো দোতলা পেরিয়ে একচালা মাটির ঘর,…
রূপনারায়ণ এর তীরে
সেদিন বৃষ্টি নামেনি। কিন্তু মেঘেদের আনাগোনা চলেছিল বহুক্ষণ। তাই কখনও নদীটা মেঘের ছায়ায় জিরোচ্ছিলো, তো কখনও রোদের সাথে খুনসুটি! নদীটা ভাগ করেছে দুটো গ্রামকে। আমরা তাদের ভাগ করেছি দুটো জেলায়, দুটো রাজত্বে, দুরকম নিয়ম কানুনে আরও হাজারো মেকি আড়ম্বরে। কিন্তু তাতে ওদের বয়েই গেছে। ওদের কাছে নদীর শুধু এপার আর ওপার আছে। তাতেই ওদের দিন…
আহিরিটোলার খোলা হাওয়ায়!
ঘন্টা দুয়েক খোলা আকাশের নিচে, ফুরফুরে হাওয়ায়! আর সামনের দিগন্ত আকাশে ঘরফিরতি সূর্য তার রঙের খেলায় ব্যস্ত! পায়ের সামনে নদীর জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ। সঙ্গে উপরি পাওনা হিসাবে, সময়ান্তরেই স্টিমারের ধীরগতিতে জল কেটে যাওয়ার আওয়াজ, আর শালিক পাখির ডাক (শালিক ছাড়া আর কিই বা বাঁচিয়ে রেখেছি আমরা!)প্রতিটা weekend একটা লং journey হতে হবে, এমন তো…
অচেনা সৈকতের পাশে
কখনও কখনও চেনা জায়গাগুলোও Offbeat হয়ে যেতে পারে একটু খুঁজলেই!! যারা মন্দারমনিতে যান, তাদের খুব কম লোকের কাছেই হদিশ রয়েছে, যে মোহনার কাছে ফাঁকা নিরিবিলি একখানা বিচ রয়েছে, যা দাদনপত্রবার এলাকার থেকে অনেক বেশি মনোরম!! (অনেকে তো এটাও জানেন না যে মোহনাও রয়েছে!!) বীচ থেকে পশ্চিমে দীঘার দিকে বেশ খানিকটা হেটে গেলে Marino Beach Resort…
স্টেশন এর পথে
হাওড়া থেকে আমতার ট্রেন লাইন এ ঝালোয়ার বেড় বলে একখানা স্টেশন আছে!! নির্জন, শান্ত! আর যাত্রী হাতে গোনা কয়েকজন! তবে স্টেশন টার থেকেও বেশি সুন্দর তার আশেপাশের গ্রাম টা!! চারধারে গাছপালাঘেরা এমন একটা মনোমুগ্ধকর পরিবেশ হাওড়া শহরে খুব কমই মেলে!! পিচের রাস্তার দুধারে কোথাও বাঁশবন তো কোথাও ধানক্ষেত! কোথাও মন্দির আটচালা! সেই গ্রামের সন্ধ্যগুলো, তো…