পাথরের আনাচে কানাচে

যদি কখনো ভেবে থাকেন, পাহাড়ের কোলে ঝর্ণার পাশে পাথরের উপরে বসে, আপনার দুপুরখানা দিব্বি আরামে কাটাতে! খুব একটা বেশি খরচ না করলেও চলবে! পুরুলিয়ার ঠুরগা ফলস। আসল উচ্চারণ টা ওখানকার লোকেই জানেন। গাড়িটা এসে যখন রাস্তার পাশে দাঁড়াবে, অসাধারণ কিছুই চোখে পড়ার কথা নয়! যারা নতুন যাবেন, তাদের তো নয়ই! তারপর যখন ধীরে ধীরে খাদের রাস্তা ধরে নেমে যাবেন, ঘন ঝোপঝাড়ের মাঝে বড়ো বড়ো পাথুরে টিলার মাঝে একটুকরো স্বস্তির ঝর্ণা, অনায়াসে মন কাড়বে!! দুপুরবেলায় লাঞ্চ টা এখানে দিব্বি সারা যায়! এখানে পাখির ডাক আছে, ঝর্ণার জলের শব্দ আছে, পাহাড়ি হাওয়ায় ভরা মাদকতা আছে, আর চোখ ভোলানো সবুজ আছে! শহুরে যান্ত্রিকতা ভোলার জন্যে এর চেয়ে বেশি কিছুর দরকার নেই বৈকি!!

তবে খেয়াল রাখবেন, যেহেতু ঘন জঙ্গল, অনেক প্রাণীর স্থায়ী আস্তানা এখানে। তাদের কোনো ক্ষতি করবেন না! তারাও আপনার ধারেকাছে ঘেঁষবে না! আপনার চেয়ে তাদের ভয় আরো বেশি!

পুনশ্চঃ দয়া করে প্লাস্টিকের কিছু আপনার স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে ফেলে রেখে আসবেন না! আমরা চাই না, আমাদেরই দোষে, এইসব জায়গার চিহ্নই মুছে যাক…

Leave a comment