
রাত 9 টার সময় বাজার করতে গিয়েছেন কখনও?!! এমন একখানা বাজার পেলে যেতে হতেও পারে বৈকি! Infact, আমাদের মতো ছেলেরা, যারা কস্মিনকালেও বাজারমুখো হই না, তারাও পাড়ি জমাই এমন জায়গায়! নেহাতই photography র শখে!
পাটুলীর ভাসমান বাজার। কলকাতা পৌরসভার এক অভিনব উদ্যোগ। বাইপাসের ধারে ঝিল টাকে সাজিয়ে গুছিয়ে নৌকা বিহারে পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। সন্ধ্যে হলেই সেখানে ভিড় বাড়ে বেশি! শুরু হয় ছবি তোলার বহর! কেনাকাটাও টুকটাক চলে বৈকি।

বাইরে থেকেই চোখে পড়বে ঝকমকে আলো। ভিতরে ঢুকলেই চোখে পড়বে আলোর রোশনাই। ঝিলময় কাঠের সিঁড়ি আর রাস্তার দুধারে ভাসমান নৌকাগুলিতে বিভিন্ন রকমের জিনিসপত্র বিক্রিবাটা চলছে। কাঁচা আনাজ থেকে মাংস, চা এর সাথে টা, আর গরম থেকে ঠান্ডা, সবই মিলবে খুঁজলে! কাঠের সিঁড়ি খানাই বেশ! সেখানে দাঁড়িয়ে আসে পাশের বিল্ডিং গুলোকে বাদ দিলে কিছুক্ষনের জন্য ভুলেই যাবেন, আপনি কলকাতায় আছেন! বেশ natural ব্যাপার টা রয়েছে। খামোখা কংক্রিটের স্থাপত্য গড়ে তোলা হয়নি এখানে। পড়ন্ত সূর্যের আলো আর LED লাইটের আলো মিশে সে এক অপূর্ব দৃশ্য হয়ে ওঠে। মাঝে দু তিনটি ফোয়ারা রয়েছে আর তাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার মতো খানিকটা জায়গা ছেড়ে রাখাও রয়েছে! মনে হয় সেলফি স্পট হিসাবেই রাখা হয়েছে!!
সব ভালোর মধ্যে কিছু খারাপ থেকেই যায়। বেশ কিছু মানুষ দেখলাম খাবার দাবার খেয়ে প্যাকেটগুলি ঝিলের জলেই ফেলেছেন! তাই, এমন অভিনব উদ্যোগও কতদিন টিকে থাকবে, তাও একটা চিন্তার বিষয়। তার ওপর এই শখের ঘুরতে আসার বাজারে বিক্রেতাদের অসামান্য ধৈর্যকেও বাহবা দিতে হয়।

কোনো এক ছুটির দিন গিন্নিকে নিয়ে ঘুরেও আসতে পারেন বাজারে! শপিং মল এর বাইরেও বাজার করাটা বেশ আনন্দেরই লাগবে!! বন্ধুরা গেলেও আপত্তি নেই! পাড়ার রকের আড্ডা এখানেও জমবে বেশ!
Canon 750D ৷ Snapseed